Medhabiyan HSC ICT Master Course: Target 90 +
এর Full সিলেবাস
ক্লাস ০১ঃ তথ্য ও প্রযুক্তির যাত্রা
টপিক: তথ্য, ডেটা, তথ্যপ্রযুক্তি, বিশ্বগ্রাম, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, আর্টিফিশিয়াল ইন্টিরিজেন্স।
যা শিখবে-
এই ক্লাসে শুরু হবে তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির জগতে আমাদের প্রথম পদচারণা। শিখবে কীভাবে ডেটা ও তথ্য আলাদা, কীভাবে প্রযুক্তি আমাদের বাস্তব জীবনের গণ্ডি ছাড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে এক ভার্চুয়াল জগতে, আর কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছে।
ক্লাস ০২ঃ রোবট থেকে মহাকাশ পর্যন্ত
টপিকস: রোবটিক্স, ক্রায়োসার্জারি, মহাকাশ অভিযান।
যা শিখবে-
এই ক্লাসে আমরা ঘুরে দেখবো আধুনিক প্রযুক্তির কিছু বিস্ময়কর ক্ষেত্র—রোবটিক্স ও ক্রায়ো সার্জারি কীভাবে চিকিৎসা ও কর্মক্ষেত্রে বিপ্লব আনছে, মহাকাশ অভিযানে আইসিটির ভূমিকা, প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা, বায়োমেট্রিক্স ও প্রতিরক্ষায় ICT-এর ব্যবহার কেমন করে এক নতুন পৃথিবীর দরজা খুলে দিচ্ছে।
ক্লাস ০৩ঃ জেনেটিক ও ন্যানোটেকনোলজি, আইসিটির ব্যাবহার।
টপিকস: বায়ো ইনফরমেটিকস, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং, ন্যানোটেকনোলজি, আইসিটির প্রভাব, নৈতিক ব্যবহার।
যা শিখবে-
এই ক্লাসে তুমি জানবে বায়োইনফরমেটিকস, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ন্যানোটেকনোলজির মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কীভাবে চিকিৎসা, পরিবেশ ও খাদ্য উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনছে। পাশাপাশি, ICT ব্যবহারে নৈতিকতা, সমাজে এর প্রভাব ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তথ্যপ্রযুক্তির ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করা হবে।
ক্লাস ০৪ঃ কমিউনিকেশন সিস্টেম
টপিকস: সংযোগের মূল কথা: কমিউনিকেশন সিস্টেম ও ডেটা আদান-প্রদান
যা শিখবে-
এই ক্লাসে জানা যাবে যোগাযোগ ব্যবস্থার মূল কাঠামো, ডেটা কমিউনিকেশন কীভাবে কাজ করে, ব্যান্ডউইথ ও ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড কী, এবং কোন কোন কেবল বা তার ব্যবস্থায় তথ্য আদান-প্রদান হয়। এটি হবে কমিউনিকেশন সিস্টেম বোঝার একটি শক্ত ভিত।
ক্লাস ০৫ঃ যোগাযোগ: আজকের সংযুক্ত বিশ্বের ভিত্তি
টপিকস: কমিউনিকেশন সিস্টেম, ব্যান্ডউইথ, ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড, মোড। ডেটা কমিউনিকেশন মাধ্যম এর বিস্তারিত। ব্লুটুথ, ওয়াইফাই, ওয়াইম্যাক্স, মোবাইল যোগাযোগ, মোবাইল ফোনের প্রজন্ম।
যা শিখবে-
এই ক্লাসে শিখবে তারবিহীন যোগাযোগের জগৎ—ইনফ্রারেড, ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই, ওয়াইম্যাক্স ও মোবাইল যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহার। জানবে কীভাবে মোবাইল ফোনের প্রজন্ম পরিবর্তনের মাধ্যমে ICT আমাদের প্রতিদিনের জীবনকে আরও দ্রুত ও স্মার্ট করে তুলছে। পাশাপাশি পরিচিত হবে কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং-এর প্রাথমিক ধারণার সাথে।
ক্লাস ০৬ঃ নেটওয়ার্কের ভিতরে
টপিকস: নেটওয়ার্কের ধারণা, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর ব্যবহার বা উদ্দেশ্য,প্রকারভেদ, নেটওয়ার্কের মৌলিক উপাদান বা নেটওয়ার্ক স্থাপনের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, নেটওয়ার্কের কাজ, নেটওয়ার্ক টপোলজি, ক্লাউড কম্পিউটিং ।
যা শিখবে-
তুমি এই ক্লাসে জানতে পারবে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কী, কেন এটি প্রয়োজন এবং কীভাবে এটি আমাদের চারপাশের প্রযুক্তি ব্যবস্থাকে যুক্ত করে রেখেছে। ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে ব্যবসা, শিক্ষা, ব্যাংকিং—সব ক্ষেত্রেই কম্পিউটার নেটওয়ার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
তুমি শিখবে বিভিন্ন ধরণের নেটওয়ার্ক যেমন LAN, MAN, WAN, এবং তাদের কাজের ধরন। জানতে পারবে নেটরওয়ার্ক স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি যেমন হাব, সুইচ, রাউটার, এবং কীভাবে বিভিন্ন টপোলজি অনুযায়ী সংযোগ গড়ে তোলা হয়। ক্লাসের শেষে ক্লাউড কম্পিউটিং কী এবং কেন এটি ভবিষ্যতের প্রযুক্তি—তা নিয়েও ধারণা পাবে।
ক্লাস ০৭ঃ সংখ্যার গল্প।
টপিকস: সংখ্যা পদ্ধতি আবিষ্কারের ইতিহাস, সংখ্যা পদ্ধতি, বিভিন্ন সংখ্যা পদ্ধতিতে গণনা, সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ।
যা শিখবে-
এই ক্লাসে আমরা জানতে পারবো সংখ্যার ইতিহাস—মানুষ কিভাবে প্রাচীন কালে গুনতিতে আসলো, এবং সেই ধারাবাহিকতা কীভাবে গড়ে তুলেছে আধুনিক সংখ্যা পদ্ধতি। সংখ্যা পদ্ধতির বিবর্তন শুধু গণনায় সীমাবদ্ধ না, বরং এটি কম্পিউটার ও ডিজিটাল যন্ত্রপাতির ভিত্তি।
শিখবে বিভিন্ন ধরণের সংখ্যা পদ্ধতি যেমন দশমিক, বাইনারি, অক্টাল, ও হেক্সাডেসিমাল। এছাড়াও, সর্ববাধিতার ধারণা ও তার প্রকারভেদ বুঝবে, যা পরবর্তী ক্লাসগুলোর গাণিতিক রূপান্তর ও লজিক্যাল হিসাবের ভিত্তি গড়ে দেবে।
ক্লাস ০৮ঃ সংখ্যা রূপান্তরের হাতেখড়ি
টপিকস: সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তর।
যা শিখবে-
এই ক্লাসে তুমি শিখবে কীভাবে এক সংখ্যা পদ্ধতি থেকে অন্য সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করা হয়। বিশেষ করে, কীভাবে দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি, অক্টাল বা হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় রূপান্তর করতে হয়, তা হাতে-কলমে দেখানো হবে।
এছাড়াও রূপান্তরের নিয়ম, কৌশল এবং ট্রিকস শেখানো হবে যেন তুমি পরীক্ষায় দ্রুত ও নির্ভুলভাবে উত্তর দিতে পারো। এই রূপান্তরের দক্ষতা তোমার বুলিয়ান অ্যালজেবরা ও ডিজিটাল সার্কিট অধ্যায়ে সরাসরি কাজে লাগবে।
ক্লাস ০৯ঃ রূপান্তরের অনুশীলন
টপিকস: সংখ্যা পদ্ধতির রূপান্তর।
যা শিখবে-
এই ক্লাসটি হবে পূর্ববর্তী রূপান্তর বিষয়ক জ্ঞান চর্চার জন্য। তুমি আরও গভীরভাবে বিভিন্ন রূপান্তর অনুশীলন করবে যেমন বাইনারি থেকে দশমিক, অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমাল ইত্যাদি।
বিভিন্ন বাস্তব উদাহরণ ও সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে এই ক্লাসে তোমার কনসেপ্ট আরও পরিষ্কার হবে। রূপান্তর নিয়ে যে যেকোনো সংশয় ছিল, তা দূর হয়ে যাবে এই অনুশীলনের মাধ্যমে।
ক্লাস ১০ঃ যোগ-বিয়োগ ও কোডিং
টপিকস: বাইনারি যোগ বিয়োগ, চিহ্নযুক্ত সংখ্যা, ২ এর পরিপূরক গঠন, কোড
যা শিখবে-
এই ক্লাসে শিখবে কীভাবে বাইনারি সংখ্যায় যোগ ও বিয়োগ করতে হয়, আর কীভাবে চিহ্নযুক্ত সংখ্যা ও ২-এর পরিপূরক কাজ করে। বাইনারি গণনার ধারণা বোঝা ডিজিটাল ডিভাইসের মৌলিক কাজ বুঝতে সাহায্য করে।
তাছাড়া, বিভিন্ন কোড যেমন BCD (Binary Coded Decimal), ASCII কোড সম্পর্কে ধারণা পাবে যা কম্পিউটার ডেটা কীভাবে উপস্থাপন করে তা বোঝাতে গুরুত্বপূর্ণ।
ক্লাস ১১ঃ বুলিয়ান অ্যালজেবরা
টপিকস: বুলিয়ান অ্যালজেব্রা ও ডিজিটাল ডিভাইস, বুলিয়ান অ্যালজেবরা, বুলিয়ান অ্যালজেবরা মূলকথা, বুলিয়ান উপপাদ্য।
যা শিখবে-
এই ক্লাসে তুমি পরিচিত হবে বুলিয়ান অ্যালজেবরার মূল ধারণার সাথে, যা ডিজিটাল সার্কিট ডিজাইনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জানবে সত্য (1) ও মিথ্যা (0) দিয়ে কীভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া যায় এবং যুক্তি তৈরি করা যায়।
তুমি শিখবে গুরুত্বপূর্ণ উপপাদ্য এবং কিভাবে এসব ব্যবহার করে জটিল লজিক ফাংশন সরলীকরণ করা যায়। এই জ্ঞান পরবর্তী গেট এবং সার্কিট ডিজাইনে অত্যন্ত কার্যকরী হবে।
ক্লাস ১২ঃ সত্যক সারণি ও ডি মরগান
টপিকস: সত্যক সারণি, ডি মরগানের সূত্র ও প্রমাণ, লজিক ফাংশন সরলীকরণ।
যা শিখবে-
এই ক্লাসে শিখবে কীভাবে সত্যক সারণি তৈরি করা হয় এবং কীভাবে এটি ব্যবহার করে লজিক ফাংশনের কার্যকারিতা বিশ্লেষণ করা যায়। এটি ডিজিটাল লজিক বোঝার একটি মৌলিক হাতিয়ার।
তাছাড়া, ডি মরগানের সূত্র এবং তার প্রমাণ কীভাবে কাজ করে, বাস্তব উদাহরণ দিয়ে দেখানো হবে। শেষে তুমি শিখবে লজিক ফাংশন কীভাবে সরলীকরণ করতে হয় কম সংখ্যক গেট দিয়ে একই কাজ করার জন্য।
ক্লাস ১৩ঃ লজিক গেট
টপিকস: লজিক গেট এর প্রকারভেদ, লজিক গেট, মৌলিক গেট, যৌগিক গেট, সার্বজনীন গেট, বিশেষ গেট ।
যা শিখবে-
এই ক্লাসে তুমি শিখবে লজিক গেট কী এবং কীভাবে প্রতিটি গেট দিয়ে ডিজিটাল সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হয়। AND, OR, NOT-এর মতো মৌলিক গেট থেকে শুরু করে NAND, NOR, XOR, XNOR—সব গেটের ব্যবহার বুঝবে উদাহরণসহ।
তুমি জানতে পারবে সার্বজনীন গেট দিয়ে যেকোনো লজিক গেট তৈরি করা সম্ভব এবং কিভাবে এগুলো দিয়ে জটিল সার্কিট ডিজাইন করা যায়।
ক্লাস ১৪ঃ সার্কিট ও সমীকরণ
টপিকস: সত্যক সারণি হতে সমীকরণ নির্ণয়, সমীকরণ হতে সত্য সারণী নির্ণয়, লজিক্যাল ফাংশন থেকে লজিক্যাল সার্কিটের রূপান্তর, লজিক্যাল সার্কিট থেকে লজিক্যাল ফাংশানের রূপান্তর,
যা শিখবে-
এই ক্লাসে তুমি শিখবে কীভাবে সত্যক সারণি থেকে সমীকরণ তৈরি করতে হয় এবং আবার সেই সমীকরণ থেকে সার্কিট আঁকা যায়। এটা ডিজিটাল সার্কিট ডিজাইনের খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।
তুমি আরও শিখবে কীভাবে একটি লজিক ফাংশন থেকে সার্কিট ডিজাইন করতে হয় এবং আবার সেই সার্কিট দেখে লজিক ফাংশন নির্ণয় করা যায়। এতে হাতে-কলমে অনুশীলনের মাধ্যমে ডিজাইন দক্ষতা বাড়বে।
ক্লাস ১৫ঃ এনকোডার, ডিকোডার, ফ্লিপ-ফ্লপ
টপিকস: এনকোডার, ডিকোডার ও ফ্লিপ-ফ্লপ
যা শিখবে-
এই ক্লাসে পরিচিত হবে এনকোডার ও ডিকোডার কীভাবে ইনপুট-আউটপুট রূপান্তর করে। ডেটা সংকেতকে কার্যকরভাবে প্রক্রিয়াজাত করতে এই যন্ত্রগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ফ্লিপ-ফ্লপ সম্পর্কে জানবে—যা ডিজিটাল মেমোরির মতো কাজ করে এবং একটি নির্দিষ্ট অবস্থা ধরে রাখতে সক্ষম হয়। এটি রেজিস্টার ও কাউন্টার তৈরির মূল ভিত্তি।
ক্লাস ১৬ঃ এডার, রেজিস্টার, কাউন্টার
টপিকস: এডার, রেজিস্টার ও কাউন্টার
যা শিখবে-
এই ক্লাসে তুমি জানবে কীভাবে বাইনারি সংখ্যা যোগ করার জন্য এডার ব্যবহৃত হয় এবং কীভাবে একাধিক বিটের গাণিতিক কাজ করা সম্ভব।
রেজিস্টার কীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে এবং কাউন্টার কীভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যক সংকেত গুনে রাখে—এসব শিখে তুমি ডিজিটাল গণনার প্রকৃত কাজ বুঝতে পারবে।
ক্লাস ১৭ঃ ওয়েবসাইট ও HTML শুরু
টপিকস: ওয়েবসাইটের ধারণা, প্রকারভেদ, ওয়েবসাইট সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়বলির সাথে পরিচয়, এইচ টি এম এল এর ধারণা।
যা শিখবে-
এই ক্লাসে পরিচিত হবে ওয়েবসাইট কী, কী কী ধরণের ওয়েবসাইট থাকে এবং কীভাবে HTML দিয়ে একটি সাধারণ ওয়েবপেজ তৈরি করা যায়।
তুমি শিখবে ওয়েবসাইটের মূল কাঠামো, হোস্টিং, ডোমেইনসহ বিভিন্ন শব্দের অর্থ এবং HTML-এ লেখার প্রাথমিক কৌশল। এটা হবে ওয়েব ডিজাইনের জগতে তোমার প্রথম পা।
ক্লাস ১৮ঃ HTML টেবিল
টপিকস: HTML এর প্রয়োগ, টেবিলের সংক্রান্ত সকল বিষয়, এইচটিএমএল লিস্টের যাবতীয় সবকিছু।
যা শিখবে-
এই ক্লাসে তুমি HTML দিয়ে কীভাবে তথ্য সুশৃঙ্খলভাবে উপস্থাপন করা যায় তা শিখবে। বিশেষভাবে টেবিল কীভাবে বানাতে হয়, সারি-কলাম কীভাবে সাজানো হয়—তা বাস্তব কোড দিয়ে দেখানো হবে।
এইচটিএমএলের বিভিন্ন ট্যাগের ব্যবহার এবং কীভাবে একটি প্রফেশনাল লুক আনা যায়—তা শেখার মাধ্যমে তোমার ওয়েব ডিজাইন স্কিলের ভিত্তি তৈরি হবে।
ক্লাস ১৯ঃ HTML অনুশীলন
টপিকস: HTML অনুশীলন, ওয়েবসাইট পাবলিশ।
যা শিখবে-
এই ক্লাসে HTML এর ব্যবহার আরও গভীরভাবে অনুশীলন করা হবে। হেডিং, প্যারাগ্রাফ, লিঙ্ক, ইমেজ, ফর্ম, লিস্ট ইত্যাদির ব্যবহার শেখানো হবে কোডিংয়ের মাধ্যমে।
তুমি নিজের একটি ছোট ওয়েবপেজ তৈরির চেষ্টা করবে এবং কিভাবে HTML এর বিভিন্ন উপাদান একসাথে মিলিয়ে একটি গঠনবদ্ধ পেজ বানানো যায়—তা হাতে-কলমে শিখবে।
ক্লাস ২০ঃ প্রোগ্রামিং ভাষার গল্প
টপিকস: প্রোগ্রামের ধারণা, মেশিন ভাষা, অ্যাসেম্বলি ভাষা, মেশিন ভাষা ও অ্যাসেম্বলি ভাষার মধ্যে পার্থক্য, মধ্যম স্তরের ভাষা, উচ্চতর স্তরের ভাষা, কয়েকটি জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা, ভিজুয়াল বেসিক, জাভা, ওরাকল, এলগল, ফোরট্রান, পাইথন
যা শিখবে-
এই ক্লাসে শিখবে প্রোগ্রামিং ভাষার ইতিহাস ও শ্রেণিবিভাগ—মেশিন ভাষা, অ্যাসেম্বলি ভাষা, মধ্যম স্তরের ভাষা এবং উচ্চ স্তরের ভাষা। জানতে পারবে এই ভাষাগুলোর মধ্যে পার্থক্য কী এবং কোন ভাষা কোন সময়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। তুমি পরিচিত হবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রামিং ভাষার সাথে—ভিজ্যুয়াল বেসিক, জাভা, ওরাকল, এলগল, ফোরট্রান, এবং পাইথনের মতো আধুনিক ও ঐতিহাসিক ভাষা, যা আজকের সফটওয়্যার দুনিয়ার ভিত্তি।
ক্লাস ২১ঃ অনুবাদ ও অ্যালগরিদম
টপিকস: চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা, পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা, অনুবাদক প্রোগ্রাম, কম্পাইলার, ইন্টারপ্রেটর, এসেম্বলার, প্রোগ্রামের সংগঠন, প্রোগ্রাম তৈরির ধাপসমূহ, অ্যালগরিদম।
যা শিখবে-
এই ক্লাসে শিখবে চতুর্থ ও পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা কীভাবে কাজ করে, এবং কোন কোন কাজের জন্য উপযুক্ত। জানবে অনুবাদক প্রোগ্রামের ধরন—কম্পাইলার, ইন্টারপ্রেটর ও অ্যাসেম্বলার কীভাবে কোডকে মেশিন বুঝতে সহায়তা করে।
তুমি আরও শিখবে একটি প্রোগ্রাম তৈরির ধাপসমূহ—সমস্যা বিশ্লেষণ, অ্যালগরিদম তৈরি, কোড লেখা, এবং ডিবাগিং। এটি হবে কার্যকর প্রোগ্রামিং শেখার ভিত্তিপাঠ।
ক্লাস ২২ঃ ফ্লোচার্ট
টপিকস: অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্ট নিয়ে আলোচনা, প্রয়োগ
যা শিখবে-
এই ক্লাসে অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্ট সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। শিখবে অ্যালগরিদম কীভাবে ধাপে ধাপে সমস্যা সমাধানের কৌশল দেয় এবং কীভাবে ফ্লোচার্ট একটি প্রোগ্রামের দিকনির্দেশনা চিত্রায়ন করে।
প্র্যাকটিক্যাল উদাহরণের মাধ্যমে দেখানো হবে কীভাবে দৈনন্দিন সমস্যাকে অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্টে রূপান্তর করা যায়—যা তোমার প্রোগ্রামিং দক্ষতা তৈরিতে দারুণ সাহায্য করবে।
ক্লাস ২৩ঃ C প্রোগ্রাম প্রস্তুতি
টপিকস: অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্ট প্রয়োগ, সি প্রোগ্রামিং এর বেসিক
যা শিখবে-
এই ক্লাসে তুমি পূর্বের অ্যালগরিদম ও ফ্লোচার্ট জ্ঞান ব্যবহার করে বাস্তব সমস্যার সমাধান সি প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে করতে শিখবে।
সি প্রোগ্রামের কাঠামো, লেখার নিয়ম এবং ইনপুট-আউটপুট এর বেসিক ধারণা দিয়ে তোমাকে প্রস্তুত করা হবে হাতে-কলমে প্রোগ্রামিং শুরু করার জন্য।
ক্লাস ২৪ঃ Variable, Operator
টপিকস: সি প্রোগ্রামিং শুরু: প্রোগ্রাম ডিবাগিং, ব্যবহার, ডেটা টাইপ, চলক, অপারেটর, ইনক্রিমেন্ট ও ডিগ্রিমেন্ট অপারেটর, কিওয়ার্ড
যা শিখবে-
এই ক্লাসে তুমি শিখবে C প্রোগ্রামের মৌলিক অংশগুলো—চলক (variable), ডেটা টাইপ, অপারেটর এবং কিওয়ার্ড কীভাবে কাজ করে। ইনক্রিমেন্ট ও ডিক্রিমেন্ট অপারেটরের ব্যবহার দেখানো হবে বাস্তব উদাহরণে।
এছাড়াও ডিবাগিং কী এবং কীভাবে প্রোগ্রামে ভুল ধরতে হয়, তাও এই ক্লাসে শেখানো হবে। এতে তোমার প্রোগ্রাম লেখার আত্মবিশ্বাস বাড়বে।
কাজ করে, ব্যান্ডউইথ ও ডেটা ট্রান্সমিশন মেথড কী, এবং কোন কোন কেবল বা তার ব্যবস্থায় তথ্য আদান-প্রদান হয়। এটি হবে কমিউনিকেশন সিস্টেম বোঝার একটি শক্ত ভিত।
ক্লাস ২৫ঃ If-else ও লুপ
টপিকস: আরো সি প্রোগ্রামিং: স্টেটমেন্ট, ইফ এলস স্টেটমেন্ট, লুপ স্ট্রাকচার, লাইব্রেরী ফাংশন।
যা শিখবে-
এই ক্লাসে শিখবে কীভাবে C প্রোগ্রামে শর্ত ব্যবহার করা হয়। If, else-if, nested if ইত্যাদির মাধ্যমে কীভাবে লজিকাল সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় তা শেখানো হবে।
পাশাপাশি লুপ স্ট্রাকচার যেমন for, while ও do-while লুপ ব্যবহার করে পুনরাবৃত্ত কাজ করা শেখানো হবে। শেষে কিছু সাধারণ লাইব্রেরি ফাংশনের ব্যবহার দেখানো হবে।
ক্লাস ২৬ঃ ডেটাবেজ ধারণা
টপিকস: ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ধারণা, ডেটাবেজ, ডেটাবেজ সফটওয়্যার, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, DBMS এর প্রাথমিক ধারণা, , কী, প্রাইমারি কি, প্রাইমারি কম্পোজিট কি, ফরেন কি,
যা শিখবে-
এই ক্লাসে তুমি জানবে ডেটাবেজ কী, ডেটাবেজ সফটওয়্যার কীভাবে কাজ করে এবং ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) কীভাবে বিশাল তথ্য সংগ্রহ ও পরিচালনা করে।
তুমি শিখবে প্রাথমিক ধারণা, কী (Key), প্রাইমারি কি, কম্পোজিট কি ও ফরেন কি-এর ব্যবহার—যা ডেটা নির্ভুলভাবে সংরক্ষণ ও যুক্ত করার জন্য অপরিহার্য।
ক্লাস ২৭ঃ SQL ও কুয়েরি
টপিকস: কুয়েরি, SQL কুয়েরি, এসকিউ লাইট সফটওয়্যার এর ব্যবহার, ডেটাবেজ সর্টিং এবং ইনডেক্সিং, এটা সিকিউরিটি
যা শিখবে-
এই ক্লাসে শিখবে কীভাবে SQL ব্যবহার করে ডেটাবেজে কুয়েরি চালানো হয়। জানতে পারবে কীভাবে SQLite সফটওয়্যার দিয়ে ডেটা সঞ্চালনা, সাজানো (sorting), ইনডেক্সিং এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
এছাড়াও শেখা হবে ডেটাবেজকে আরও দ্রুত ও নিরাপদ করতে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যায়—যা বাস্তব কাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ক্লাস ২৮ঃ এনক্রিপশন ও ডেটা ম্যানেজমেন্ট
টপিকস: ডেটা এনক্রিপশন, রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, কর্পোরেট ডেটাবেজ, সরকারি প্রতিষ্ঠানে ডাটাবেজ।
যা শিখবে-
এই ক্লাসে শিখবে ডেটা এনক্রিপশন কী এবং কেন এটি আধুনিক তথ্য সুরক্ষায় অপরিহার্য। জানবে কীভাবে রিলেশনাল ডেটাবেজ বড় প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয় এবং কীভাবে সরকার বা কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান ডেটাবেজ ব্যবহার করে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
তুমি বুঝবে কীভাবে তথ্য সুরক্ষা, এক্সেস কন্ট্রোল এবং ব্যবস্থাপনা কৌশলগুলো বাস্তব জীবনে প্রয়োগ হয়, যা ভবিষ্যতে বড় প্রজেক্ট বা চাকরিতে ব্যবহারযোগ্য হবে।